Economic Trends of Bangladesh

An overview on economic trends of Bangladesh given by Dr. Mirza Azizul Haque, Ex-Advisor of Caretaker Government of Bangladesh. As per his opinion: Situation of Economic Indicator in 2011-12: Most of the economic  indicators for fiscal year 2011-12 were negative. Assessing available data and economic indicator for July-October, 2012-13 fiscal year, he said, a mixed trends in macro-economic situation is found in after 5 months of this fiscal year 2012-13. A few trends is found positive, while most of the economic indicators were negative. Domestic Credit Growth:  Trends of domestic credit growth is found decreasing. Please read the details news.

$9m US grant for climate fund announced: The US government, through USAID, announced an initial obligation of $9 million to support the Bangladesh Climate Change Resilience Fund. A total of $13 million US grant to the fund for four years was promised by US Secretary of State Hillary Rodham Clinton during her recent visit to Bangladesh. oining this multi-donor fund is a significant opportunity for USAID to further align its program objective with other development partners, provide direct support for the government of Bangladesh’s efforts to respond to the threat of climate change, and advance President Obama’s Global Climate Change Initiative, which is focused promoting sustainable and climate-resilient societies, fostering low carbon growth, and reducing emissions from deforestation and land degradation, said the release. The US government, through USAID, has provided over $5.8 billion in development assistance to Bangladesh since 1971. In 2011 alone, USAID provided more than $180 million to improve the lives of people in Bangladesh, including $17 million in environment and climate change funding.

NBR for duty on sugar, edible oils, Commerce ministry suggests continuation of VAT benefit: The National Board of Revenue (NBR) is in favour of imposing duty on sugar, both crude and refined, and edible oil in the budget for next fiscal as it found tax exemption of the items failed to benefit the consumers during the last one year, officials said. The board had waived specific duty on import of sugar and reduced the Value Added Tax (VAT) to 10 per cent from 15 per cent last year to keep its prices low in the local market. According to an estimate of the board, the government could have earned an additional Tk 16 billion in revenue this year if it imposed a minimum tax on sugar and edible oil.

মির্জাপুরে ফসলী জমিতে গড়ে উঠেছে শিল্প-কারখানা : ৩ বছরে ১২শ’ একর জমি নষ্ট, খাদ্য ঘাটতি ৫ হাজার টন: অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পাঞ্চল বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় তিন ফসলী আবাদি জমির উপর গড়ে উঠছে শিল্প-কারখানা। দ্রুত শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার ফলে গত তিন বছরে প্রায় ১২শ’ একর তিন ফসলী জমি নষ্ট হয়েছে। এতে অন্তত ৫ হাজার ১৮৫ টন খাদ্য ঘাটতি হয়েছে। একদিকে চলছে খাদ্য ঘাটতি অপরদিকে কল-কারখানার বর্জ্যে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই আবাদি জমিতে অধিকাংশ শিল্প-কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত তিন বছরের ব্যবধানে মির্জাপুর উপজেলায় প্রায় ১২শ’ একর তিন ফসলী জমি মিল-কারখানা স্থাপনের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। আগে এসব জমিতে ধান, পাট, সরিষা, গম ও সবজিসহ নানারকম ফসল ফলত। কিন্তু ঐসব জমিতে এখন কল-কারখানা গড়ে ওঠায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সেসঙ্গে কল-কারখানা ও বিশাক্ত বর্জ্য পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ায় এলাকায় নানা রোগ-বালাই ছড়িয়ে পড়েছে। কৃষি অফিস সূত্র জানায়, গোড়াই, হাঁটুভাঙ্গা, ক্যাডেট কলেজ, ধেরুয়া ও দেওহাটাসহ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন কল-কারখানা সিএনজি স্টেশন গড়ে ওঠায় ফসলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, আগে এখানে একর প্রতি ৮০/৯০ মণ ধান, ৩০/৩৫ মণ সরিষা, ৫০/৬০ মণ পাট ও অন্যান্য ফসল উত্পাদন হতো। কিন্তু জমি নষ্ট হওয়ায় প্রতি বছর ৬০ হাজার মণ ধান, ২৫ হাজার মণ সরিষা, ৪০ হাজার মণ পাট, ২০হাজার মণ গম, ২২ হাজার মণ আলু ও ৭০ হাজার মণ অন্যান্য ফসল ও সবজির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন ধেরুয়া এলাকায় কোদালিয়া মৌজায় প্রায় দেড়শ’ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে বৃহত্ একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন তিন ফসলি জমিতে সাইনবোর্ড দিয়ে মাটি ফেলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি ও চাপের মুখে কম দামে মিল মালিকদের কাছে জমি বিক্রি করতে তারা বাধ্য হচ্ছে। জমি না বিক্রি করলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা লোকজনকে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক আবাদি জমির উপর একটি প্রভাবশালী মহল সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির নাম দিয়ে।

গমের চারার জুস: পৃথিবীর অনেক দেশে ওষুধ হিসেবে এবং ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ কচি গমের চারার জুস ব্যবহূত হলেও আমাদের দেশে প্রথম বারের মতো এই প্রচলন করলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট গবেষক ড. এম.এ. সালাম। তিনি নিজে যেমন এই জুস ব্যবহার করে উপকার পাচ্ছেন এবং সেইসাথে কচি গমের চারার চাষ ও এর জুসের ব্যবহার সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। এগুলো নিয়ে তিনি নিজ উদ্যোগে গবেষণাও করছেন বলে জানান।অধ্যাপক ড. সালাম জানান, গমের চারার জুসে পুষ্টিগুণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান ও শর্করা, প্রোটিন এবং চর্বি রয়েছে। আর ভিটামিন হিসেবে রয়েছে এ, সি, বি, ই ও বি-১৭। গমের চারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ক্লোরোফিল, যা কাটা-ছেঁড়া, চুলকানি, পোড়া ঘা, চুলপড়া, মাথার খুসকি, দাঁতের বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এই জুস নিয়মিত পান করলে শরীর থাকে প্রাণবন্ত। এটি যক্ষ্মা রোগেরও ভাল ওষুধ বলে জানা গেছে। হালকা গরম পানিতে গমের চারার জুস মিশ্রিত করে তাতে ১০-১৫ মিনিট সারা শরীর ডুবিয়ে বসে থাকলেও কিছুদিনের মধ্যেই রক্তের লোহিত কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে। গমের চারার জুস আমাদের শরীরে খুব সহজেই শোষিত হয় এবং রক্ত শূন্যতা দূর করে। আবার এর মাঝে প্রাণীর জন্য প্রয়োজনীয় সকল ভিটামিন, মিনারেলস, এমিনো এসিড এবং এনজাইম রয়েছে যা অন্য কোন ঘাসে  নেই।গমের চারার বয়স ১০ থেকে ১৪ দিন হলেই সেগুলো থেকে জুস তৈরি করতে হবে। বহির্বিশ্বে এ জুসের প্রচলন অনেক প্রাচীন হলেও বাংলাদেশে এর তেমন কোন প্রচলন হয় নি। অথচ এ জুস পুষ্টিমান থেকে অনেক উন্নতমানের। বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে কচি গমের চারা থেকে জুস তৈরি করে অনেকে যেমন স্বাবলম্বী হবে তেমনি মানুষের পুষ্টির চাহিদাও অনেকাংশে পূরণ হবে বলে মন্তব্য করলেন অধ্যাপক সালাম।

পোল্ট্রি শিল্পে মূলধন হারিয়ে কয়েকশ’ যুবক-যুবতী নিঃস্ব: বাচ্চা উত্পাদনকারী হ্যাচারী মালিকদের সিন্ডিকেটের ফলে হ্যাচারী থেকে উত্পাদিত একদিনের মুরগীর বাচ্চা-খাদ্য ও ওষুধের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, অস্থিতিশীল বাজার, নানা রোগের আক্রমণের কারণে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের পোল্ট্রি খামারীরা পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব। তারা বিকল্প কর্মসংস্থান খুঁজছে। উপজেলায় আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনে পোল্ট্রি শিল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করতে এসে কয়েকশ’ যুবক-যুবতী এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। নিঃস্ব যুবক-যুবতীরা ব্যাংক-এনজিও ও মহাজনদের ঋণের চাপে অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।গৌরীপুর স্টেশন রোডের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী কানন সরকার জানান, একদিনের মুরগীর বাচ্চা, খাবারের মূল্য ও ওষুধের মূল্য বৃদ্ধির ফলে মুরগী বা ডিম বিক্রি করে খামারীরা প্রতিনিয়ত লোকসান গোনার কারণে অধিকাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে। পূর্বের ১২/১৫ টাকার মুরগীর বাচ্চা এখন ৬৩/৭৫ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। সাড়ে ৪শ’ টাকার ৫০ কেজির খাবারের বস্তার মূল্য এখন ১৯৭০ টাকা। খামারের এক হাজার মুরগী লালন-পালনে ব্যয় ১ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা। কিন্তু মুরগীর বর্তমান বাজারদর কমে যাওয়ায় সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা বিক্রি হবে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা নেই, তাই খামারীরা খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। কলেজ পড়ুয়া সতিশা গ্রামের আফরোজা আক্তার সংসারের হাল ধরতে লেখাপড়ার পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্রয়লার মুরগী পালন শুরু করে। প্রথম দিকে কিছুটা লাভের মুখ দেখলেও খাদ্য-বাচ্চা আর ওষুধের দামের সঙ্গে মুরগীর বাজার মূল্য ঠিক না থাকায় কৃষি ব্যাংকের ৪০ হাজার, যুব উন্নয়নের ৪৫ হাজার আর মহাজনের ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা।

প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান না থাকায় জনশক্তিকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না : পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকায় বিশ্বে তাদের অবস্থান অনেক উপরে। সে দেশের তুলনায় বাংলাদেশের জনশক্তি মেধার দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই। কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান না থাকায় দেশের বিরাট জনশক্তিকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি করা যাবে।তথ্য নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ এসব কথা বলেন। এফবিসিসিআই-এ সদস্য চেম্বার ও সমিতির প্রতিনিধিদের নিয়ে ছয়দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করেছে সংগঠনটি। ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। কর্মশালায় ২৪ জন করে ২টি পর্বে ৪৮ জনকে  প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এফবিসিসিআই প্রথম সহ-সভাপতি ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং বিষয়ক স্থায়ী কমিটির পরিচালক জসিম উদ্দিন, সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সাবেক সভাপতি আকরাম হোসেন, আইএফসির প্রতিনিধি শিহাব আনসারী আজহারসহ এফবিসিসিআই-এর পরিচালক ও কর্মশালার প্রশিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার কথা তুলে ধরে একে আজাদ বলেন, একজন ছাত্র পড়াশুনা শেষ করার পর কি করবে তা জানে না। কোনো খাতে যেতে চাইলে তাকে নির্দেশনা দেয়ারও লোক নেই। উপযুক্ত শিক্ষা দেয়া সম্ভব হলে দেশ বেকারত্বের অভিশাপমুক্ত হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এজন্য বেসকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।জসিম উদ্দিন বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন না হওয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কাজ করলেও তাদের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ হচ্ছে না।++

 ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পে বিপন্ন হবে বাংলাদেশ: ++ ১৯৯৬ সালের বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি অনুযায়ী ভারত কোনভাবেই একতরফাভাবে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন কতে পারে না ++ সীমাহীন হুমকিতে পড়বে কৃষি পরিবেশসহ কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রা ++ মরুভূমিতে পরিণত হবে বাংলাদেশ ++ সরকারের উচিত জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলে ভারতকে চাপ প্রয়োগ করা । ভারতের আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্পে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার নদীসমূহের পানি ১৩টি সংযোগ খালের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হবে। এর ফলে নদীনির্ভর নদী মাতৃক বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশসহ ও কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রা সীমাহীন হুমকির মুখে পড়বে। যদিও ভারত বার বার বলে এসেছে যে, তাদের এই সংযোগ প্রকল্পে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলো যুক্ত করা হয়নি। সম্প্রতি ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশ সফরে এসে পূর্বে দেয়া সে আশ্বাসেরই পুনরাবৃত্তি করেছেন।

সবজি ডাল ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে :আবারো অস্থির হয়ে উঠছে নিত্যপণ্যের বাজার। সবজির চড়া দামের পাশাপাশি এর সাথে যুক্ত হয়েছে ডাল, ডিম, মুরগী, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম। ফলে সংসার চালাতে নাভিশ্বাস উঠছে সীমিত আয়ের মানুষের। সঞ্চয় ভেঙ্গে খেতে হচ্ছে তাদের। সরকারের বিপণন সংস্থা টিসিবি’র হিসাবে গত এক সপ্তাহে ডাল প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী ১০ থেকে ১৫ টাকা, ডিম হালিতে ২ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া এক মাসে প্রতি কেজি মসুর ডালে ১৫ টাকা, পেঁয়াজ ২ থেকে ৪ টাকা, রসুন ২৫ টাকা, আদা ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।  ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। কাওরান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী বেলায়েত বলেন, বর্ষাকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করছে। পুরোপুরি ওঠা শুরু হলেই দাম কমবে। তিনি আরো বলেন, চাহিদা অনুপাতে বাজারে আলু সরবরাহ কম। তাই সবজির মধ্যে জনপ্রিয় এই পণ্যটির দাম বাড়ছে। এ বছর আলুর উত্পাদন কম হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছর মৌসুমের শুরুতে মোকামে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ২ থেকে ৩ টাকা। এবার প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৭ থেকে ৮ টাকা। এছাড়া আলু চাষ কম হওয়ায় এবার মৌসুমের শুরুতেই বড় বড় ব্যবসায়ী, আড়তদাররা আলু কিনে কোল্ডস্টোরেজে রেখেছে। তাদের অধিকাংশই বেশি দামের আশায় আলু বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সরবরাহ কমে গেছে। গত এক সপ্তাহে প্রতি কেজিতে মানভেদে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে তুরস্ক/ কানাডার বড় দানা মসুর ডাল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, তুরস্ক/ কানাডার মাঝারি দানা মসুর ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, দেশী মসুর ডাল ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, নেপালী মসুর ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। এছাড়া মুগ ডাল মানভেদে ৯০ থেকে ১১০ টাকা, এ্যাংকর ৪২ থেকে ৪৬ টাকা, ছোলা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে স্থিতিশীল রয়েছে ভোজ্য তেলের বাজার। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৩০ টাকা, পামঅয়েল ১১০ থেকে ১১২ টাকা ও প্যাকেটজাত সয়াবিন ১৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিনির দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজিতে ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায়।

উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন দাবি: উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নসহ রাজশাহীর উন্নয়নে ১৯ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল শনিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে সামাজিক সংগঠন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে নেতারা বলেন, বৃহত্তর রাজশাহীকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষায় অবিলম্বে উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের উন্নয়নে পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ ছাড়াও রাজশাহীর ঐতিহ্য রেশম শিল্পের আধুনিকায়ন করতে হবে। আগামী বাজেটে সংগঠনের দাবিকৃত ১৯ দফা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের দাবিও জানান তারা । নেতারা আরো বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের এসব দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে, এ অঞ্চলের মানুষ জানে কিভাবে দাবি আদায় করতে হবে। কারণ ভাষা অন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে এ অঞ্চলের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে

কৃষক ধান উত্পাদনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে:ধান চাষ করে আমরা কষ্টে আছি। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে উত্পাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সেচ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। উত্পাদন কমে গেছে। বর্তমানে এক মণ ধান উত্পাদনে যে খরচ হয়, বাজারে সেই মূল্য পাওয়া যায় না। উত্পাদনের সাথে বিক্রির সামঞ্জস্য না থাকলে আমরা চাষীরা ধান উত্পাদনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবো। এতে দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে। কৃষি বাজেটে কৃষকের মতামত বিষয়ক গণশুনানিতে এমন উদ্বেগজনক কথা শোনালেন ধানচাষী জামির হোসেন। গতকাল শনিবার দুপুরে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার গাইদঘাটের এআইসিসি প্রাঙ্গণে জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির উদ্যোগে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহজাহানের সঞ্চালনে গণশুনানিতে কমিটির ৩ জন সদস্যসহ ৪ জন এমপি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সিএস করিম উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু যে এলাকার কৃষকদের সমস্যা নিয়ে এই শুনানি সেই জেলা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার একজন সংসদ সদস্যও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। শওকত মোমেন শাহজাহান তাদের অনুপস্থিতিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন। শুনানিতে ১৬ জন কৃষকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ ও এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন। এলাকার কয়েকশ কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াশিংটনে জি-৮ শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করলেন ওবামা : শুক্রবার সম্মেলনের উদ্বোধন উপলক্ষে ক্যাম্প ডেভিডে ওবামা ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও রাশিয়ার নেতাদের  স্বাগত জানান। ইরানি পরমাণু প্রকল্প ও সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনায় সহমত হয়েছেন জি-৮ নেতারা। বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর সংগঠন জি-৮ হলেও হালের অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীন কিংবা ভারত ও ব্রাজিলও এ সংগঠনে নেই। ক্যাম্প ডেভিডে সমবেত সংগঠনটির নেতারা সম্মেলনের প্রথমদিন বিশ্বের নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় আট দেশের সরকার প্রধানই উপস্থিত ছিলেন। পরমাণু প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরানের আরো খোলামেলা হওয়া উচিত বলে সম্মেলনে মত প্রকাশ করেন বিশ্ব নেতারা। তারা সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। পরমাণু ইস্যুতে উত্তর কোরিয়ার আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা উচিত বলেও মত প্রকাশ করেন তারা। ‘একগুয়ে নীতি’ বজায় রাখলে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত বলে নেতারা সহমত প্রকাশ করেন। তাছাড়া মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

গা ের্মন্টস

26.07.2012: ‘ঈদের আগেই পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা’

26.07.2012: অসন্তোষের মূলে ‘পুঞ্জিভূত ক্ষোভ’

26.07.2012: ‘এর মধ্যেও বেঁচে আছি, এটাই আশ্চর্য’

19.05.2012: RMG Labour Unrest:Instigations, rumours led to most incidents

ভোজ্য তেলের দাম বাড়ছে লাফিয়ে সরকার ব্যস্ত চিনি আমদানিতে: ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে বাজারে বর্তমানে এক বছর আগের তুলনায় চিনির দাম কেজিপ্রতি আট টাকা কম। বাজারে চিনির দর কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৫৫ টাকা। অন্যদিকে সয়াবিন তেলের দাম এখন গত বছরের তুলনায় লিটারে প্রায় ২০ টাকা বেশি। এক লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেল কিনতে এখন ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ১৩৩ টাকা। একটি ছোট পরিবারের মাসে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল প্রয়োজন হয়। পাঁচ লিটারের একটি সয়াবিন তেলের বোতল কয়েক মাস আগে ৫৮০ টাকায় কিনতে পাওয়া যেত। এখন সেটি কিনতে ব্যয় হচ্ছে ৬৬০ টাকা। কিন্তু এ পণ্যটির দাম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কোনো ভূমিকা ছিল না সরকারের। সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করা যায় এমন পরিমাণে আমদানির কোনো চেষ্টা করা হয়নি। দাম বেঁধে দিয়ে তা কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়নি। সর্বশেষ কয়েক মাসে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দফায় দফায় দাম বাড়িয়েছেন। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের মনিটরিং সেল থেকে বাড়তি দাম ও বোতলের দাম যৌক্তিক নয় বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ট্যারিফ কমিশনের মনিটরিং সেল মার্চ মাস শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, পাঁচ লিটারের এক বোতল তেলের দাম লেবেলিং খরচসহ ৬৩৫ টাকা হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে নেওয়া হচ্ছে ৬৬০ টাকা। এখানে ২৫ টাকা বেশি নেওয়া নিয়ে চুপ থাকছে সরকার।

থানার কার্যক্রম তত্ত্বাবধান:মিশ্র প্রতিক্রিয়া : থানা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব উপজেলা চেয়ারম্যানরা পালন করবেন এমন সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুশীল সমাজ ও পুলিশের সাবেক পদস্থ কর্মকর্তাগণ। কেউ বলেছেন, সিদ্ধান্তটি দ্রুত বাস্তবায়ন না করে তা পরীক্ষামূলকভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। পর্যবেক্ষণ করে যদি এর সুফল পাওয়া যায় তবেই এটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আবার কেউ বলেছেন, এটা বাস্তবায়ন হলে সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের মধ্যে যে বিপরীত অবস্থান তা কমে আসবে। সংসদ সদস্য যদি থানা পুলিশকে ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে উপজেলা চেয়ারম্যান এতে আইনের মাধ্যমে বাধা দেবেন। পুলিশের সাবেক আইজি নূরুল হুদা বলেন, স্থানীয় সরকারের অধীন আইন-শৃঙ্খলা থাকতে পারে। ১৯৮৩ সালে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে যে নিয়ম-নীতি করা হয়েছিল তাতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। ঐ নীতিমালায় থানার কার্যক্রম মনিটর করার বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যানের হাতে ন্যস্ত করার নিয়ম রয়েছে। সে অনুযায়ী থানার কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করার দায়িত্ব উপজেলা চেয়ারম্যানদের ওপর দেয়া ঠিক। তবে এ বিষয়টি এত দ্রুত বাস্তবায়ন না করে পরীক্ষামূলকভাবে করা উচিত। ধীরে ধীরে এটি বাস্তবায়ন করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। সংবিধানে স্থানীয় সরকারের অধীন থানার কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ রয়েছে। থানার কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করার বিষয়টি প্রজ্ঞাপন না করে আইন করা উচিত। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে এতে ক্ষমতার অপব্যবহার যেন না হয়। এতে করে হয়তো উপজেলা চেয়ারম্যানরা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আমাদের বেশিরভাগ সংসদ সদস্য যেভাবে থানাকে ব্যবহার করেন, সে ক্ষেত্রে উপজেলা চেয়ারম্যান যদি সেখানে তত্ত্বাবধান করেন তাহলে অপকর্ম কমে যাবে। কারণ দুই পক্ষের বিপরীত অবস্থানের কারণে থানায় ভারসাম্যপূর্ণ কার্যক্রম চলতে পারে। আর যদি উপজেলা চেয়ারম্যান অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

‘Biosafety rules soon’: The government would finalise the biosafety rules within a few weeks restricting use of genetically modified organism to protect environment and human health, said Law Minister Shafique Ahmed yesterday. The rules would be framed under The Environment Conservation Act, 1995 to prevent adverse affect on the agricultural and natural environment, he said. hafique said no person or organisation can use, import, export, purchase and sell the genetically modified organism or substance without licence or permission from the Biosafety Core Committee. Highest punishment for committing offence under the proposed rules is two years’ jail and fine of Tk 10 lakh, he said.

থানা পুলিশের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবে উপজেলা পরিষদ: এখন থেকে থানা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব উপজেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ থানা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং ছাড়াও প্রতিমাসে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপারের নিকট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পেশ করবেন। চেয়ারম্যানের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারগণ সংশ্লিষ্ট থানার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশয়ের সভাপতি হারুন অর রশিদ হাওলাদার ইত্তেফাককে বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) আইনের অনেকগুলো বিষয়ের একটি বাস্তবায়ন মাত্র। তবে এ সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং তাদের কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। একইসঙ্গে তিনি উপজেলা পরিষদ আইনের অন্য অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ দেন।

জীবনযাত্রার বর্ধিত ব্যয়ে কমছে উৎপাদনশীলতা, শুধু বেতন নয়, অন্যান্য সুবিধাও বাড়ানো উচিত ও ‘প্রাইস কমিশন’ গঠন জরুরি: আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতিসহ নানা অজুহাতে বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম। তবে বাড়িভাড়া ও পরিবহন খরচ বেড়েছে মাত্রাতিরিক্তভাবে। সে অনুপাতে মানুষের আয় বাড়েনি। আর আয়-ব্যয়ের এই বৈষম্যের মধ্যে টিকে থাকার জন্য মানুষ নিজের শেষ সঞ্চয়টুকুও ভাঙছে। যাদের কোনো সঞ্চয় নেই তাদের ধার-কর্জ করে চলতে হচ্ছে। এই আর্থসামাজিক চাপে মধ্যবিত্তদের অবস্থা নাস্তানাবুদ। পারিবারিক সঞ্চয় না থাকায় তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে।

লবণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সংসদীয় কমিটির উদ্বেগ, ২৪ মে বাজার পরিদর্শন: আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে ২৪ মে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজার পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে লবণের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই উদ্বেগ জানানো হয়। কমিটির সভাপতি এ বি এম আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রমজানে অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য ডাল, ভোজ্য তেল, ছোলা ও মসুরের ডালের দাম স্বাভাবিক রাখতে বাজার পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ২৪ মে কমিটির সদস্যরা সংশ্লিষ্ট অন্যদের নিয়ে কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর বাজার পরিদর্শন করবেন। বৈঠকে লবণের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, যে লবণের মূল্য গত ছয় মাস আগে প্রতি কেজি ২০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। এটা উদ্বেগজনক।

বাড়ছে সব ধরনের ডালের দাম: অব্যাহতভাবে বাড়ছে ডালের দাম। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে সব ধরনের ডালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে! সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মসুর ও খেসারি ডালের দাম। গতকাল বৃহস্পতিবার খাতুনগঞ্জে সাধারণ মানের মসুর ডালের কেজি ছিল ১০৫ টাকা ও খেসারি ডাল ৪৮ টাকা। অথচ এক মাস আগে এই মসুরের ডাল কেজিপ্রতি ৭৫ টাকা এবং খেসারির ডাল কেজিপ্রতি ২৪ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে মুগ এবং ছোলার ডালের দামও বেড়েছে। চট্টগ্রাম ডাল মিল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আহমদ রশীদ আমু গতকাল বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে ব্যবসায়ীরা ডাল আমদানি করতে পারছেন না। ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা এলসি খুলতে পারছিলেন না। তাই গত তিন মাস ডাল আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। এখন আবার ব্যবসায়ীরা যখন বুকিং দিচ্ছেন তখন আন্তর্জাতিক বাজারে ডালের দাম ঊর্ধ্বগতি। ফলে দেশের বাজারে সব ধরনের ডালের সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। তাই বাজারে ডালের দাম বাড়ছে। ‘ ডালের দাম বাড়া প্রসঙ্গে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের পরিচালক (প্রশাসন, বিক্রয় ও বণ্টন) মোহাম্মদ রমজান আলী বলেন, ‘গুদাম সংকটের কারণে চাইলেও আমরা বেশি ডাল মজুদ রাখতে পারি না। বর্তমানে টিসিরির কাছে প্রায় এক হাজার ৫০০ টন মসুর ডাল আছে। আরো তিন হাজার টন ডালের জন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। এসব ডাল আসলে আশা করি বাজারে ডালের যে সংকট রয়েছে, তা কেটে যাবে।’ খাতুনগঞ্জের পাইকারি ডাল ব্যবসায়ীরা জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে সব ধরনের ডালের দাম বেড়েছে। মসুর ডাল কেজিপ্রতি বেড়েছে দাম ১০ থেকে ১২ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি নেপালি মসুর ডালের দাম ছিল ৯৪ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার তা ১০৩-১০৪ টাকায় বিক্রি হয়। একইভাবে ৯০ থেকে ৯২ টাকার দেশি মসুর ডাল এখন ৯৫ থেকে ১০২ টাকা। ২৪ টাকার খেসারি ডাল ২৩ টাকা বেড়ে গতকাল ৪৭ টাকায় বিক্রি হয়! এ ছাড়া ছোলার ডাল ১১ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায়, মুগ ডাল (চিকন) ৯৮ থেকে ১০০ টাকায় এবং মুগ ডাল (মাঝারি) ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়।

Higher growth, curbing inflation targeted in new budget: Muhith : Finance Minister A M A Muhith Tuesday said the main target of the next budget is to attain higher growth and contain the inflationary pressures despite the fact that export and trade as well as manufacturing sectors are in troubles.

The employment challenge: Bangladesh seeks to raise its growth rate from around 6.0% per year to 8.0% per annum by the end of the Sixth Five Year Plan period. It also aims to reduce the incidence of poverty from about 32 per cent in 2010 to 22 per cent by 2015. The developments in real wages, productivity and employment are critical determinants of the ability to achieve and sustain these growth and poverty reduction targets. A recent study of South Asian employment outcome done by the World Bank (WB) suggests that the story is a positive one, including for Bangladesh. Over the past two decades, South Asia has created jobs at around the same pace as the growth in the working age population and the average productivity of labour and real wages are rising.  This is indeed comforting, giving rise to cautious optimism that South Asia and Bangladesh might indeed be gaining from the ongoing demographic dividend of a growing labour force.

Tax-free income ceiling likely to be Tk 0.2m : he government is likely to increase the minimum tax for individual taxpayers to Tk 3,000 from existing Tk 2,000, and raise the tax-free income ceiling to Tk 200,000 from existing Tk 1,80,000 in the budget for the upcoming fiscal (2012-13). Officials said Finance Minister A M A Muhith is set to propose the measures in the budget on June 7.

Increase tax limit on house rent allowance: The Income Tax (IT) Rule 233A in Bangladesh says that where the house rent allowance received by the employee in cash… exceeds fifty per cent of basic salary or Taka 15,000 per month, whichever is less, shall be included in his income. That is, the excess amount of house rent that is more than 50pc of basic shall be included in his income to calculate levyable income tax or the excess amount of Taka 1,80,000 per year house rent shall be included to his income to calculate levyable income tax.

Female journalists face discrimination: study: A recent study found that sixty per cent of female journalists in Bangladesh suffer discrimination in the workplace. The report conducted by Article 19, a worldwide human rights network, found that 52.7 per cent faced sexual harassment and 47.3 per cent faced some form of censorship. Article 19 released its investigation on Bangladeshi female journalists at a roundtable discussion entitled ‘Writing Wrongs against Woman Journalists in Bangladesh’ on Tuesday at the National Press Club. The investigation was carried out in 2011 and based on 55 cases.

জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উপায়-২: চাকরিজীবীদের সংসারে নিত্য টানাপড়েন: গত ৪ মার্চ বিবিএস জানিয়েছে, বাসাভাড়া, পরিবহন খরচ, চিকিৎসা খরচ বেড়ে যাওয়ায় মার্চ মাসশেষে মাসভিত্তিক হিসাবে খাদ্যের বাইরে অন্য খাতের মূল্যস্ফীতি বেড়ে রেকর্ড ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশে পেঁৗছেছে। আর গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১০ শতাংশে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি মাসওয়ারি হিসেবে কিছুটা কমে আট দশমিক ২৮ শতাংশে এসেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ১৭ টাকা, তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) দাম বেড়ে ইউনিটপ্রতি ১৬ টাকা থেকে ৩০ টাকা হয়েছে। পাঁচ দফা বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। এক বছরেই ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) হিসাবে, গত দুই বছরে পারিবারিক বিদ্যুতের দাম বেড়েছে প্রায় ২৩ শতাংশ। বাস ভাড়া বেড়েছে ২৯ শতাংশ।

দুই বছরে খরচ বেড়েছ:

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বললেন, শ্রমের মান নিশ্চিত করলে বেশি দাম দেবে ক্রেতারা: রিবেশ ও শ্রমের মান রক্ষা করে পণ্য উৎপাদন করলে ক্রেতারা আরো বেশি দাম দিতে প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হান্না। তিনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতারা সচেতন। তাঁরা চান, তাঁরা যে পণ্যটি কিনছেন, সেটির উৎপাদনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হোক ও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হোক। বাংলাদেশ এ দুটি বিষয় নিশ্চিত করে পণ্য উৎপাদন করলে উচ্চ আয়ের ক্রেতাদের ধরতে পারবে। তাতে রপ্তানি আয় আরো বাড়বে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত ‘ইইউ-বাংলাদেশ বাণিজ্য : সাম্প্রতিক উন্নতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উইলিয়াম হান্না উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর বাণিজ্য বাড়ছে। ২০১১ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি হয়েছে ইউরোপে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি বাড়ার হারও ছিল অনেক বেশি। তবে ইউরোপের সাম্প্রতিক ঋণসংকটে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের এখন পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্যপূর্ণ করার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।

বোরো নিয়ে দামের ফাঁদে কৃষক:২০১০ সালে প্রতি কেজি বোরো ধানের উৎপাদন খরচ ছিল ১৩ টাকা ৩২ পয়সা। ২০১২ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা ৭৬ পয়সা। দুই বছরে উৎপাদন খরচ বেড়েছে ঠিকই; কিন্তু সরকারিভাবে বোরো ধান-চাল কেনার দর বাড়েনি এক পয়সাও। ২০১০ সালে প্রতি কেজি চালের সংগ্রহ মূল্য ছিল ২৮ টাকা। দুই বছর বাদে সেই একই মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ফলে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন খরচে ফসল ফলিয়েও কৃষককে বাধ্য হয়েই তা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এই অবস্থাকে কৃষির জন্য অশনিসংকেত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

ভোগ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা : রমজানকে টার্গেট করে চট্টগ্রামে বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেট সক্রিয়। অতীব প্রয়োজনীয় কয়েকটি ভোগ্যপণ্যের দাম হুহু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ নেই। মশুর ডাল, রসুনের দাম এক সপ্তাহে  প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই মাস যাবত্ চিনি, ছোলা ও খুচরা মশুর ডাল নতুন করে আমদানি হচ্ছে না। আসন্ন রমজানে এসব পণ্যের দাম বাড়বে বলে খুচরা ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন।

মন্ত্রিসভায় সমবায় সমিতি (সংশোধনী) আইনের খসড়া অনুমোদন : মন্ত্রিসভা সমবায় সমিতি (সংশোধনী) ২০১২ আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া কোনো সমবায় সমিতির ব্যাংকিং কর্মকান্ড পরিচালনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন । পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তির পর আইনে পরিণত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। খসড়ায় বলা হয়েছে যে এটি আইনে পরিণত হওয়ার পর কোনো সমবায় সমিতির নামের সংগে ‘ব্যাংক’, ‘বিনিয়োগ’ অথবা ‘বাণিজ্যিক’ জাতীয় পরিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না এবং দেশের কোথায়ও এর কোনো শাখাও খোলা যাবে না। যেসব স্থানে সমবায় সমিতির শাখা রয়েছে সেগুলো ৬ মাসের মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

Chance of Bangladesh sinking under rising sea levels: The basic question which climate science has tried to answer is: how serious is climate change? But communicating a scientific answer to this question has been impossible, Schneider says, as politicians, journalists and the average person on the street does not understand that scientific predictions and models of climate change can only predict probabilities of particular outcomes. Unfortunately, the public and the politicians have shown little desire to understand the significance of these scientific probabilities. Instead, they are generally interested in climate science only the extent that it supports their own pre-conceived political beliefs that climate change is insignificant.

BD seeks $10b from donors, dev partners to tackle adverse impact of climate change: Bangladesh has long been seeking such finance as the developed nations in the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) conference at Cancun in Mexico in 2010 committed to providing climate finance of around $30 billion for 2010-12, with a goal of $100 billion by 2020. The rich countries were held responsible for their role in emitting high rate of carbon causing global warming and the least developed countries (LDCs) like Bangladesh have become its victim.

Banking without BB permission prohibited:Cabinet approves draft law:  The Cabinet approved Monday the draft of the ‘Cooperative Society (amendment) Act 2012’ prohibiting banking without prior permission from the central bank with a provision of seven years of jail and a fine of Tk 1.0 million(10 lakh) for its violation, reports UNB. The approval came from the Cabinet’s weekly meeting held at the Cabinet Room of Bangladesh Secretariat with Prime Minister Sheikh Hasina in the chair. Cabinet Secretary M Mosharraf Hossain Bhuiyan briefed reporters after the meeting. He said necessary steps would be taken for having the law passed by parliament after the law ministry’s vetting.

The draft says that no cooperative, after the passage of the law, would use the terminologies like ‘bank’, ‘investment’, or ‘commerce’ with its name, and open no branch anywhere of the country. The branches of the existing cooperative societies should be closed down within six months of the passage of the law.

বদলে গেছে সহায়তার ধরন: এখন খাদ্য ও পণ্য ঋণ নেয় না বাংলাদেশ: ১৯৭১-৭৩ সময়ে বৈদেশিক সহায়তার ৩৮ শতাংশ এসেছিল খাদ্য বাবদ, প্রায় ৫২ শতাংশ উপকরণ ও মাত্র ১০ শতাংশ উন্নয়ন প্রকল্পে। সহায়তার ৮৯ শতাংশ ছিল অনুদান, ১১ শতাংশ ঋণ। ২০০৮-০৯ সালে দেখা যায়, মোট বৈদেশিক সহায়তার ৬৪ শতাংশ ঋণ, অনুদান ৩৫ শতাংশের কিছু বেশি। প্রকল্প সহায়তা বাবদ এসেছে ৯৭ শতাংশ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ৩ শতাংশের কম। যুদ্ধবিধ্বস্ত, সর্বস্বান্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে গিয়ে আন্তর্জাতিক কুৎসিত খাদ্য রাজনীতির শিকার হতে হয়েছিল নতুন দেশের প্রথম সরকারকে। দুর্ভিক্ষের বছর অর্থাৎ ১৯৭৩-৭৪ সালে বৈদেশিক সহায়তার প্রায় অর্ধেকই এসেছিল খাদ্য বাবদ। সে অবস্থা থেকে অনেক আগেই সরে এসেছে বাংলাদেশ। খাদ্য খাতে সরাসরি বৈদেশিক ঋণ নেওয়া বন্ধ হয়েছে ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে। খাদ্যে মোটামুটি স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন করায় এখন এ খাতে বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়া দরকার হয় না। দেশেই এখন সোয়া তিন কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়। বিদেশি সংস্থা পরিচালিত কিছু প্রকল্পে খাদ্য অনুদান এলেও গত পাঁচ বছরে এর পরিমাণ কমছে। পণ্য খাতেও বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমছে। গত ১০ বছরে পণ্য খাতে কোনো বৈদেশিক ঋণ আসেনি। আর পাঁচ বছর ধরে এ খাতে কোনো অনুদান আসেনি।

Saarc Food Bank to help check food price volatility: he Saarc Food Bank Board is considering the bank’s use during volatility of food prices, aiming to stabilise the South Asian region’s food market. “Such a move could help stabilise the food market in the region,” said Bangladesh Food and Disaster Management Minister Dr Abdur Razzaque yesterday. No South Asian nation is able to ensure food security by itself, so cooperation among the nations is imperative to tackle food shortages at times of disasters and to stabilise volatility of food prices, he added.

National land use plan stressed:

Four crores people that constitute an estimated 28 per cent of the country’s total population live in urban areas, he said. Of the total urban people, 40 per cent live in Dhaka city alone. Dhaka that has been a mega city with 10 million people since 2001 and presently having 15 million is set to emerge as a meta-city (having 20 million people), he said. It is projected that half of Bangladesh will come under urbanisation by the year 2050 with an enhanced urban-rural connectivity, he said.

শ্রমিকের শাস্তি আরো বাড়ানোর প্রস্তাব গার্মেন্ট মালিকদের: শ্রমিকদের সুবিধা বাড়িয়ে সরকার যে সংশোধিত শ্রম আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে, তার খসড়ায় আইন লঙ্ঘনের দায়ে মালিক-শ্রমিক উভয়ের জন্যই কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হচ্ছে। মালিকদের কারাদণ্ড দেওয়ার প্রস্তাবে বিরোধিতা করেছে বিজিএমইএ। তাদের কথা হলো, আইন না মানলেও মালিকদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে না। আর জরিমানা করলেও এর পরিমাণ হবে খুবই কম। তাদের দাবি, কারখানা পরিচালনা করেন মহাব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপকরা। তাই আইন লঙ্ঘনের দায় এসব কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে, মালিকের ওপর নয়। মালিককে কোনোমতেই দণ্ড দেওয়া ঠিক হবে না। অন্যদিকে আইন লঙ্ঘনকারী শ্রমিকের জন্য খসড়া আইনে সরকার যে পরিমাণ শাস্তি (কারাদণ্ড ও জরিমানা) বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে, তা আরো বাড়ানোর সুপারিশ করেছে গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। শ্রমমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে বলেছেন, কারো সুপারিশই যে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হবে, এমন নয়। আইন লঙ্ঘন করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, তিনি মালিক-শ্রমিক যিনিই হোন।

‘ফ্লো অব এক্সটারনাল রিসোর্স বাংলাদেশ’-এর তথ্য:চার দশকে বাংলাদেশ বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে চার লাখ কোটি টাকা:সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে সবার আগে প্রয়োজন ছিল সর্বস্বান্ত মানুষের খাবার জোগানো। তারপর ধ্বংসপ্রাপ্ত রাস্তাঘাট, বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সব ধরনের অবকাঠামো আবার ব্যবহারের উপযোগী করে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সচল করার দুরূহ কাজ। রাষ্ট্রের কোষাগার শূন্য। তাই বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার দ্বারস্থ হতে হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে। খাদ্য ও উপকরণ অনুদানের পাশাপাশি নিতে হয় নগদ অর্থের ঋণ। তবে অনুদানের তুলনায় ঋণের পরিমাণ ছিল বেশি। ক্রমে উন্নয়নের চাহিদা বেড়েছে, সে সঙ্গে বেড়েছে ঋণের পরিমাণ। ১৯৭২ থেকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত গত চার দশকে বাংলাদেশ মোট তিন লাখ ৯৬ হাজার ৯৩০ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে দুই লাখ ২৬ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা এবং অনুদান বাবদ এক লাখ ৭০ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ফ্লো অব এক্সটারনাল রিসোর্স অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক বইয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

তরুণ উদ্যোক্তাদের পুঁজি দেবে বিডি ভেনচার: উদ্ভাবনী তরুণ উদ্যোক্তাদের পুঁজি জোগানোর পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অর্জনে সহযোগিতা দিতে এগিয়ে এসেছে বিডি ভেনচার লিমিটেড নামে নতুন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। গতকাল প্রতিষ্ঠা নটির পরিচিতিবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নবগঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা পরিচালকরাপ্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সভাপতি ও এসএমই ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান আফতাব উল ইসলাম। দীর্ঘ ব্যবসায়ী জীবনের অভিজ্ঞতায় তিনি দেশে সুগঠিত যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানের অভাব বোধ করেছেন। এই শূন্যতা পূরণে এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নতুন এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রয়াস পেয়েছেন তিনি।

ধানের দাম আশানুরূপ বাড়ছে না: কৃষক যাতে ধানের ন্যায্য মূল্য পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতি মণ ধানের সংগ্রহমূল্য ৭২০ টাকা ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাতেও বাজারে মাঝারি মোটা ধানের মণ ৫৮০ থেকে ৬২০ টাকার ওপরে উঠছে না। এখন ধানের মূল ক্রেতা হওয়ার কথা চালকলের মালিক ও ধান ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তাঁরা সেই অর্থে বাজারে সক্রিয় নন। মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের ধান-চাল সংগ্রহের ঘোষণায় ধানের দাম প্রতি মণে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এবার প্রতি মণ ধানের উৎপাদন খরচ ধরা হচ্ছে ৬৫০ টাকা।

Low boro price, high labour cost make farmers unhappy: (Kurigram) Farmers invested Tk 8,000 to Tk 9,000 for boro cultivation in one bigha of land and got on an average 15 maunds of paddy worth Tk 7,500 (as local market is Tk 500 per maund). A total of 1,10,084 hectares of land has been brought under boro cultivation in nine upazilas of the district this year, said sources of the Department of Agriculture Extension. Of it, high yield variety was cultivated on 78,460 hectares of land, hybrid variety on 29,735 hectares and local variety on 1,869 hectares.

Slow wheat procurement drive worries growers: (Thakurgoan) he Department of Agriculture Extension had set a target to produce 1,52,477 tonnes of wheat this year at the rate of 2.6 tonnes per hectare. However, the target exceeded much as the average production went up to 3.40 tonnes per hectare with a total output of 1,94,140 tonnes. The government has set a target to procure 16,221 tonnes of wheat in the district this year with Tk 24 per kg. On the other hand, each maund (37.32 kg) of wheat sells at Tk 700-Tk 750 in the local markets. Of the total target only 7,008 tonnes of wheat has been procured till yesterday while the three centres of Ranishankoil, Haripur and Jadurani LSDs stopped procurement due to lack of space, sources said.

Rampage over death rumour:Around 350 garment units lose a day’s production, one dies under wheels, at least 100 injured as workers in Ashulia clash with cops: Some 350 garment factories suspended production yesterday in Ashulia industrial belt when a group of workers took to the streets after a rumour of a co-worker’s death went around. In hours of fights between police and workers, at least 100 people, including 10 cops, were injured. Kamrun Nahar Golapi, 30, an operative of Opex Sweater Factory, was run over by a bus at Jamgorah when the agitating ready-made garment workers were chased by police during the clashes, said Mokhlesur Rahman, inspector of Ashulia industrial police.

Akbar Ali Khan blasts budget procedure: Former adviser of the caretaker government Dr Akbar Ali Khan has said new employment creation will face serious setback if the government squeezes subsidy on fuel following International Monetary Fund’s (IMF) conditionality. He said the government’s main challenge in preparing the next budget is how it can accommodate programmes on election pledge defying IMF’s suggestions.

দুই মন্ত্রী বেকুবের মতো কথা বলেছেন :ব্যারিস্টার রফিক: দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সরকারের দুই মন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, মন্ত্রীরা বেকুবের মতো কথা বলছেন। কোন সভ্য দেশের মন্ত্রী এমন বেকুবের মতো কথা বলতে পারে, তা আমরা কখনো কল্পনা করতে পারি না। কত বড় বেকুবের দেশে আমরা আছি। একটি বৃহত্তম দলের বড় নেতা মনে করেন, শান্তিতে নোবেল পেতে হলে যুদ্ধ থামাতে হবে। ব্যারিস্টার রফিক বলেন, দিলীপ বড়ুয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, তিনি ড. ইউনূসের নখের যোগ্যও নন।

শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির বিপক্ষে বিজিএমইএ: রম আইন-২০০৬ সংশোধন করে মহিলা শ্রমিকদের প্রসূতিকালীন ছুটি বাড়াতে চায় সরকার। বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রসূতিকল্যাণ সুবিধাও। কমপক্ষে এক হাজার শ্রমিক রয়েছে এমন সব কারখানায় শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল রাখার বাধ্যবাধকতাও আরোপ করতে চাইছে সরকার। সব ধরনের শিল্প-কারখানার ক্ষেত্রেই এই সংশোধিত শ্রম আইন প্রযোজ্য হবে। তবে বেসরকারি খাতে সব শিল্পমালিকদের সংগঠন এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন ও বিজিএমইএ এই সংশোধনীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিজিএমইএ সরকারকে বলেছে, সংশোধিত আইন বাস্তবায়ন করা হলে ‘শ্রমিককে ঘরে ঘরে গর্ভবতী মহিলা দেখা যাবে। জন্মহার বৃদ্ধি পাবে।’ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন গত সপ্তাহে এবং বিজিএমইএ তারও আগে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে তাদের আপত্তির কথা জানায়।

কৃষির জন্য দরকার আলাদা বাজেট : শাইখ সিরাজ: কৃষকরা বছরে সোয়া তিন কোটি টন খাদ্য উৎপাদন করছেন। এর অর্ধেকও যদি আমদানি করতে হতো, তাহলে ফুরিয়ে যেত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। যে খাত জিডিপিতে ৪০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে, যে খাতে মানুষের কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি, যে খাত দেশের ১৬ কোটি মানুষকে খাইয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে_সে খাতের বাজেট আলাদা হওয়া উচিত বলে মনে করেন কৃষি উন্নয়ন সাংবাদিক শাইখ সিরাজ। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রাইস কমিশন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ মার্কেট চালুর কথা বলেন। কৃষিজমি রক্ষার জন্য গ্রামে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা, জমি ব্যবহার নীতি প্রণয়নেরও তাগিদ দেন তিনি।

রাষ্ট্রদুত মজিনার সারাদেশ সফর, গভীর পর্র্বেক্ষনে সরকার

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও গণসচেতনতা ছাড়া ভেজাল খাদ্য রোধ সম্ভব নয়: হোটেল- রেস্তোরাঁ মালিক কিংবা ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকগণ যদি প্রতিদিন দু’একবার রান্নাঘরে ঢুকে তদারকি করেন তাহলে এমনিতেই পরিবেশ ভাল হয়ে যাবে। এসব দেখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন পড়ে না। দেশীয় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিদেশ থেকে ভেজাল খাদ্য আমদানিতে সম্পূর্ণ নিরুৎসাহিত করা ও গণমাধ্যমে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক আইনসমূহ নিয়মিত প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন। খাদ্যে ভেজালের দায়ে মৃত্যুদ  কার্যকর করা একটি কঠিন ব্যাপার। কিন্তু এই অপরাধের জন্য আইন আরো কঠোর করা দরকার। ভেজালবিরোধী বিচ্ছিন্ন অভিযান না চালিয়ে ভেজালের উৎপত্তি স্থল বন্ধ করার উপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা আরো বলেন, বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় ১৫২টি খাদ্যে সরাসরি ভেজাল। ফাস্ট ফুডের বেশির ভাগই ক্ষতিকর। বর্তমানে শিশু এবং বয়ষ্কদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান খাদ্যাভ্যাস বজায় থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ ডায়বেটিসে আক্রান্ত হবে। গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা এবং পোস্টার, ব্যানার, বিল বোর্ডসহ নানা মাধ্যমে ভেজাল খাদ্য বিরোধী প্রচারণা চালানো গেলে ভাল সুফল পাওয়া যেতে পারে।  আমাদের দুর্ভাগ্য ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা সরকারিভাবে আমলাতা&&ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে পরিচালনা করা হয়। এগুলো স্থানীয় সরকারের উপর ছেড়ে দেয়া হলে সুফল পাওয়া যাবে বেশি। এজন্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। আমাদের দেশে যে এতো ফলমূল আমদানি করা হয়, তার আদৌ যৌক্তিকতা আছে কিনা, তাও ভেবে দেখা দরকার বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিন্ডিকেটের কবলে আলুর বাজারও: প্রান্তিক কৃষক আলুর উৎপাদন খরচ উঠাতে না পারলেও ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। কৃষকের ক্ষেতের ৪ টাকা থেকে ৫ টাকার সেই আলু এখন ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি। প্রান্তিক কৃষকের কাছে এখন তার নিজের খাবারের প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোন আলু নেই। অনেক আগেই সব আলু চলে গেছে ব্যবসায়ীদের হাতে। এপ্রিলের প্রথমদিকেও কেজি ছিল ১২ টাকা থেকে ১৪ টাকা । বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে কেজি ২২ টাকা পর্যন্ত। গত বছর এ সময়ে ছিল ৯ টাকা থেকে ১২ টাকা কেজি। সবজি হিসেবে আলুর চাহিদা থাকে সারাবছর। বিভিন্ন খাদ্য তৈরিতেও আলুর ব্যবহার অনেক বেড়েছে। অতি বৃষ্টিসহ নানা দুর্যোগে প্রতি বছর বিভিন্ন সময়ে কোন কোন এলাকায় অন্যান্য সবজি উৎপাদন মার খায়। তখন চাহিদা বেড়ে যায় আলুর। অবশ্য এবারে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। অন্যান্য সবজির দর বেশ চড়া থাকায় আলুর চাহিদা বেশি। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মওসুমে উৎপাদনও হয়েছে প্রচুর। সরবরাহের কোন পর্যায়ে এ পর্যন্ত কোন ঘাটতি নেই। তারপরও দাম বাড়তি। রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টিসিবি’র হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়ে গেছে প্রায় দ্বিগুণ। বাজারে ৪০ টাকার নিচে কোন সবজি না থাকায় আলুর চাহিদা বেশি। অল্পবিত্ত, মধ্যবিত্ত প্রায় সব পরিবার সবজির জন্য আলুর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মতো আলুর বাজারের  মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা এটাকে মোক্ষম সুযোগ হিসেবে নিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এদের কারসাজিতে গত মাসের এ সময়ের ১৪ টাকার আলু বর্তমানে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা।

 বাজারদর:হঠাৎ কমে গেছে সয়াবিনের সরবরাহ: চট্টগ্রামের বাজারে হঠাৎ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে। পাইকারি বাজারে বোতলজাত সয়াবিন নেই বললেই চলে। তাই এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। নগরের সিরাজউদ্দৌলা সড়কের খুচরা ব্যবসায়ী এস এম রাশেদ জানান, পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বাজারে হঠাৎ করে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এ কারণে সয়াবিনের দাম চড়া। গতকাল পাঁচ লিটারের রূপচাঁদা বিক্রি হয়েছে ৬৭০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এর দাম ছিল ৬৫০ টাকা। অন্যান্য ব্র্যান্ডের তেল রূপচাঁদার (পাঁচ লিটারের বোতল) চেয়ে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সরবরাহ কম থাকায় চট্টগ্রামে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। গত দুই সপ্তাহে কয়েক দফায় মুরগির দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা; বেড়েছে দেশি মুরগির ডিমের দামও। তবে সবজির বাজার স্থিতিশীল আছে। গতকাল শনিবার নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকায়। চীন থেকে আমদানি করা রসুন প্রতি কেজির দাম ৭৫ টাকা এবং দেশে উৎপাদিত রসুন ৪৫ টাকা। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ছিল ১৮ টাকা ও রসুনের ৭০ টাকা। নগরের পাইকারি বাজার, বড় কাঁচাবাজার এবং পাড়া-মহল্লার দোকানে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন।
কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে চেয়ারম্যানের ধান কাটা!: রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁর জমির ধান কাটার কাজে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিকদের নিয়োগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব শ্রমিককে চেয়ারম্যান আংশিক মজুরি দিচ্ছেন। বাকি মজুরি কর্মসৃজন কর্মসূচি থেকে দেওয়ার কথা তিনি শ্রমিকদের জানিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চেয়ারম্যানের জমির ধান কেটেছেন কামারগাঁ গ্রামের দিনমজুর শ্রীকান্ত। তিনি জানান, তিনি কামারগাঁ ইউনিয়নের কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিক। জমির ধান কাটার জন্য ১৭৫ টাকার স্থলে চেয়ারম্যান তাঁদের দৈনিক ১০০ টাকা করে দিচ্ছেন। বাকি ৭৫ টাকা কর্মসৃজন কর্মসূচি থেকে চেয়ারম্যান তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। একই গ্রামের দিনমজুর মোমিন সরদার বলেন, ‘শ্রমিকের তালিকা থেকে নাম কেটে দিতে পারে—এ ভয়ে ধান কাটার কাজে গিয়েছিলাম।’ একই কথা জানান কামারগাঁয়ের দিনমজুর তারাপদ।
কামারগাঁ ইউপির চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন প্রামাণিক জানান, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি দাবি করেন, কোনো শ্রমিক কর্মসৃজন কর্মসূচির, তা তিনি জানেন না। তিনি প্রত্যেক শ্রমিককে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৫০ টাকা ও গাড়ি ভাড়া হিসেবে ২৫ টাকা দিয়েছেন।
রংপুরে কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: রংপুর সদর উপজেলার তামপাট ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পে স্বচ্ছল ব্যক্তিদের কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে গঠিত তদন্ত কমিটি এক মাসেও প্রতিবেদন দাখিল না করায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তামপাট ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে ৬৩৬ জনকে কাজ দেওয়া হয়। এর মধ্যে স্বচ্ছল ব্যক্তিরাও আছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন বরাবর গত ১২ এপ্রিল একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ইউনিয়নে কর্মসৃজন কাজ বন্ধসহ চার দফা দাবি জানানো হয়।

শ্রম আইন সংশোধন উদ্যেগ-১: গার্মেন্ট শ্রমিকের স্বার্থে মালিকদের বাগড়া: রমিকদের সুবিধা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার শ্রম আইন ২০০৬ সংশোধন করতে যাচ্ছে। এ জন্য ৫৪টি ধারা পরিবর্তন বা সংযোজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত আইন হলে প্রায় সব ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সুবিধা দ্বিগুণ হবে। কিন্তু মালিকপক্ষ তাতে জোর আপত্তি তুলেছে। গত ১৫ মার্চ সংশোধিত খসড়া আইনের ওপর শিল্প মালিকদের মতামত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না দিয়ে মালিকরা দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এবং তাঁদের আপত্তির কথা জানান।

চোখের জলে ভেজা ধান: এদিকে ধান-চালের দাম নিয়ে সরকার গভীর সংকটে পড়েছে। দাম বাড়ালে ভোক্তার সমস্যা, কমালে কৃষকের। এই অবস্থায় কার পক্ষে যাবে সরকার? সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ভালো দাম না পেলে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মুখ ফিরিয়ে নেবে ধান উৎপাদন থেকে। আর ভালো দাম দিয়ে কেনা শুরু করলে বাজার তেতে উঠবে ঠিকই কিন্তু নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত প্রায় ১০ কোটি লোক সরকারের ওপর নাখোশ হবে। কৃষক আর ভোক্তা নিয়ে তাই এক ধরনের সংকটে থাকতে হচ্ছে সরকারকে। গত ৩০ এপ্রিল খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় ২৮ টাকা কেজি দরে ৯ লাখ টন চাল ও ১৮ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হয়। এ বছর প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে ১৫ টাকা ৭৬ পয়সা। চাল আকারে এই খরচ প্রতি কেজিতে ২৪ টাকা ২৭ পয়সা।

‘ধান ক্যাটা ফ্যাসি গেছি বাবা’: মির্জাপুর ইউনিয়নের তালতা গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ জানান, এক বিঘা জমিতে ধান লাগানো থেকে শুরু করে কাটা-মাড়াই ও জমির মালিককে বর্গা বাবদ টাকা দেওয়া পর্যন্ত তাঁর প্রায় ১৪ হাজার ৬০ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ২৫ টাকার ৫০ কেজি ইউরিয়া সার, ৫৬০ টাকার ২০ কেজি টিএসপি, ২২৫ টাকার ১৫ কেজি এমওপি, ৭০ টাকার ১০ কেজি জিপসাম, ১২০ টাকার এক কেজি দস্তা, ৭২০ টাকার কীটনাশক, ৩৪০ টাকার বীজ লাগানো, ক্ষেত ও ফসল পরিচর্যা বাবদ ৮০০ টাকা, কাটা বাবদ ১৫০০ টাকা, মাড়াই বাবদ ১৫০ টাকা, বীজতলা, চাষের জমি প্রস্তুত ও পানি সেচ দেওয়া বাবদ তিন হাজার টাকা এবং জমির মালিককে বর্গা বাবদ পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। অথচ সেই জমি থেকে সর্বোচ্চ ২০ মণ হারে ধানের ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই ধান (মিনিকেট জাত) তাঁকে ৬০০-৬১০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি বিঘায় কৃষকদের প্রায় এক হাজার ৮৬০ থেকে দুই হাজার ৬০ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।